Sunday, October 27, 2024

হে আরশের মালিক আল্লাহ আপনি আমাকে সহ এই পৃথিবীর সকল মানুষকে কোরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন গড়ার তৌফিক দান করুন।


*শিক্ষনীয় পোস্ট *
এক বুড়ি একবার একটি মসজিদের সামনে ভিক্ষা করছিলেন। এক ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞেস করলো, মা আপনার কোনো ছেলে রোজগার করতে পারে না? বুড়ি বললো হ্যাঁ, পারে। তখন লোকটি বললো, তাহলে এখানে ভিক্ষা করছেন কেন? বৃদ্ধা বললেন, আমার স্বামী মারা গেছেন। আমার ছেলে চাকরির জন্য বিদেশে চলে গেছে। যাওয়ার সময় খরচের জন্য আমাকে কিছু টাকা দিয়ে গিয়েছিলো। সে টাকাগুলো এখন খরচ হয়ে গিয়েছে। তাই ভিক্ষা করছি।
লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলো: আপনার ছেলে কি আপনাকে কোনো টাকা-পয়সা পাঠায় না?
বৃদ্ধা বললেন: প্রতি মাসে আমার ছেলে রঙিন একটি কাগজ পাঠায়, যা আমি বাড়িতে দেয়ালে সেঁটে রেখে দেই। লোকটি শুনে ভাবতে লাগলো সেটি আবার কেমন কাগজ? তাই তিনি তার সাথে বাড়িতে সেই রঙিন কাগজটি দেখতে গেলেন। গিয়ে ৬০ টি ব্যাঙ্ক ড্রাফ্ট দেওয়ালে সাঁটা দেখতে পেলেন। প্রতিটিতে ছিলো ৫০,০০০ টাকা লেখা রয়েছে। অশিক্ষিত হওয়ায় মহিলাটি জানত না যে, তার কাছে কত পরিমাণ টাকা রয়েছে। এই ব্যক্তি যখন তাকে প্রতিটি চেকের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করলেন, তখন মহিলাটি খুব খুশি হলেন এবং বিস্মিত হলেন। এবার ভাবতে লাগলেন যে, এত পরিমান অর্থ থাকা সত্ত্বেও তিনি ভিক্ষা করতেছিলেন।
আমাদের অবস্থাও এই বুড়ির মতো হয়েছে। আমাদের কাছে কোরআন আছে এবং আমরা কোরআনকে প্রতিনিয়ত চুমু খাই এবং সম্মান করে মাথায় তুলে রাখি। অতি যত্নের সাথে ঘরে হিফাযাত করে রাখি। তবে আমরা না পড়ার কারণে জানতেই পারি না এর মধ্যে আমাদের জন্য কী ম্যাসেজ রয়েছে? এটি পড়লেই আমরা উপকৃত হতে পারতাম একথাটি বুঝতেই পারছি না। এর অর্থ ও ব্যাখ্যা বুঝলে এবং আমাদের ব্যবহারিক জীবনে এর উপর আমল করলেই এই কোরআন আমাদের কাজে আসবে, অন্যথায় কোনো কাজে আসবে না। তবেই আল্লাহ চাইলে আমাদের দুনিয়া ও আখেরাত উভয়টি সুন্দর হবে।
অর্থাৎ আমাদের কাছে কোরআন নামক বিশাল ধন-সম্পদের একটি গ্রন্থ রয়েছে। কিন্তু আমাদের অজ্ঞতার কারণে আমরা সবাই এর মধ্যে লুকিয়ে থাকা সওয়াব থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে পবিত্র কোরআন পড়ে এর মাহাত্ম্য বোঝার তাওফীক দান করুন। আ-মী-ন।

হে আরশের মালিক আল্লাহ আপনি আমাকে সহ এই পৃথিবীর সকল মানুষকে কোরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন গড়ার তৌফিক দান করুন, আমিন ছুম্মা আমিন। 

Friday, October 11, 2024

গল্পটি পড়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না


 মেয়ের বাবাদের লজ্জা থাকতে নেই  দরজা খুলে নিজের জন্মদাতা পিতাকে হাসি মুখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে মন খারাপ হয়ে গেলো! মলিন মুখে বললাম,

- বাবা, ভিতরে আসো!

বাবা ভিতরে এসে একটা বক্স বাড়িয়ে দিয়ে বললো

- “এই নে, তোর পছন্দের গুড়ের পায়েস এনেছি!”

কিছুটা অবাক হয়ে বললাম

- তুমি এই সামান্য পায়েস দেওয়ার জন্য ৬০ কিলোমিটার পথ জার্নি করে এসেছো? 

বাবা হেসে বললো,

- “তোর মা রান্না করেছে। তোকে না দিয়ে কিভাবে খাই মা? তাই নিয়ে চলে আসলাম!”


রুমের ভেতর থেকে ড্রয়িংরুমের দিকে আসতে আসতে আমার শ্বাশুড়ি বললো,

- “বউ মা, কে এসেছে?”

বাবা আমার শ্বাশুড়িকে দেখে বললো

- “কেমন আছেন বেয়ান সাব?” 


শ্বাশুড়ি বাবার কথার কোন উত্তর না দিয়ে আবার রুমের ভেতর চলে গেলো! বাবা আসলে আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন খুশি হওয়ার চেয়ে বিরক্তই হয় বেশি!

হুটহাট করে যদি মেয়ের বাড়ি চলে আসে তাহলে শ্বশুড়বাড়ির লোকজন বিরক্ত হবে এটাই স্বাভাবিক! অথচ আমার অবুঝ বাবা সেটা বুঝে না। কয়েকদিন যেতে না যেতেই কিছু না কিছু একটা নিয়ে বাসায় হাজির হবেই! 

বাবাকে বললাম,

- যাও বাবা, ভেতরের রুমে আপাতত বিশ্রাম নাও, তারপর দুপুরে খাওয়া-দাওয়া করে চলে যেও।

বাবা কিছুটা অবাক হয়ে বললো

- “মা, আজকেই কি চলে যেতে হবে? তোদের বাসায় একটা দিন থাকি?”

কোনরকম কান্না চেপে রেখে চোখ-মুখ শক্ত করে বললাম,

- না বাবা, তোমার থাকতে হবে না! দুপুরের খাওয়ার পরই চলে যাবে! 


কথাটা বলে আমি রান্নাঘরে এসে কাঁদতে লাগলাম। কতোটা অসহায় হলে একটা মেয়ে তার বাবাকে বাসায় একটা দিন রাখতে চায় না, সেটা কেউ বুঝবে না!

শ্বাশুড়ির রুমে এসে মাথা নিচু করে বললাম

- মা, ফ্রীজ থেকে খাসির মাংসটা বের করে রান্না করি? বাবা দুপুরে খেয়েই চলে যাবে।

শ্বাশুড়ি রাগী চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললো

- “এতো মেহমানদারি করতে হবে না! তোমার বাপ তো প্রতি কয়েকদিন পর পরেই আসে! তার জন্য খাসির মাংস রান্না করতে হবে নাকি? যা আছে তা দিয়েই খাইয়ে বিদায় করো! লোকটার লাজ লজ্জা বলতে কিছুই নেই। কয়েকদিন যেতে না যেতেই মেয়ের বাড়ি এসে পড়ে ভালো-মন্দ খাওয়ার জন্য!”

শ্বাশুড়ির কাছে হাত জোর করে মিনতি করে বললাম,

- মা, আল্লাহর দোহাই লাগে, এভাবে বলবেন না! পাশের রুমে আমার বাবা আছে, শুনলে কষ্ট পাবে। কথাটা বলে আমি চলে আসলাম… 


শুধু যে আমার শ্বাশুড়ি বাবাকে অপমান করে তা না। আমার স্বামীও করে। একবার আমার স্বামী বাবাকে বাজারের ব্যাগ দিয়ে বলেছিল,

- “বাসায় তো বসেই আছেন। যান বাজারটা করে নিয়ে আসুন!”

মেয়ের জামাই শ্বশুরকে বলেছে বাজার করে নিয়ে আসুন! এটা যে কতোটা অপমানজনক আমার বাবা সেটা বুঝতে পারেনি! উনি ব্যাগ নিয়ে হাসিমুখে বাজার করতে চলে গিয়েছিল!


রুমে এসে দেখি বাবা খবরের কাগজ পড়ছে। আমাকে দেখে হাসিমুখে বললো,

- “দেখলি সাকিব আবার সেঞ্চুরি করেছে। ছেলেটার ভেতর দম আছে! দেখিস সামনে আরো ভালো কিছু করবে।”

আমি বাবার দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগলাম, আমার বাবা তো এমন ছিল না। নিজের বিন্দু পরিমাণ অপমান সহ্য করতো না। সেই বাবা আমাকে বিয়ে দেওয়ার পর এমন হয়ে গেলো কেন! 


দুপুরে বাবাকে খাওয়ানোর সময় মাছের মাথাটা যখন বাবার প্লেটের দিকে বাড়িয়ে দিবো, তখন শ্বাশুড়ি এসে বললো

- “তুমি জানো না, মাছের মাথা ছাড়া আমার ছেলে খেতে পারে না। কোন হিসাবে নিজের বাবাকে মাছের মাথা দিচ্ছো?”

বাবা তখন শুধু তারকারীর ঝোল মেখে খেতে খেতে বললো

- “তুই এতো ভালো রান্না করিস কিভাবে? বাড়ি গেলে তোর মাকে একদিন শেখাবি। ২৫ বছর ধরে সংসার করছে, অথচ রান্নাটা ভালো করে শিখতে পারেনি!” 

আমি তখন কাঁদতে কাঁদতে বাবাকে বললাম

- আল্লাহ কি তোমাকে একটু লাজ লজ্জা দেয়নি। এতো অপমানের পরেও কয়দিন পর পর মেয়ের শ্বশুড়বাড়ি এসে হাজির হও। তুমি যদি আমার ভালো চাও, তাহলে এই বাড়িতে আর এসো না! 


বাবা সেদিন আমাকে আর কিছুই বলেনি। শুধু যাবার সময় আমার মাথায় হাত বুলিয়ে হাসিমুখে চলে গিয়েছিল… 


সেদিনের পর বাবা আর কখনো আমার শ্বশুরবাড়ি আসেনি। মাঝখানে আমার শ্বাশুড়ি অসুস্থ হলো, স্বামীর ব্যবসার অবস্থা খারাপ হলো, বাবাই সব টাকা দিয়েছে কিন্তু বাসায় আসেনি!

একদিন শ্বাশুড়ি আমাকে বললো,

- “বেয়ান মশাই তো আর আসে না!”

আমি হেসে বললাম

- “মেয়ের বাসায় এসে কি করবে? মেয়ে তো তাকে একবেলা মাছের মাথা দিয়ে খাওয়াতে পারতো না। তরকারির ঝোল দিয়েই ভাত খেতে হতো। তাই হয়তো আর আসে না!” 

স্বামী একবার বললো,

- “বাবাকে বলো একবার বাসায় আসতে!”

একথা শুনে স্বামীর চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম,

- “কেন! বাজার করার লোক আছে তো! শুধু শুধু আরেকজন লোক বাসায় আনার দরকার কি? শ্বাশুড়ি কিংবা স্বামী সেদিন কিছু বলতে পারেনি। শুধু মাথা নিচু করে ছিল…


২ বছর পর…

আমি মেয়ের মা হয়েছি। কিন্তু মেয়ের প্রতি আমার চেয়ে আমার স্বামীর দরদ বেশি! মেয়ে রাতে যতোক্ষণ সজাগ থাকে, ততোক্ষণ মেয়েকে কোলে নিয়ে হাঁটে!।মেয়ে ঘুমালে মেয়ের মুখের কাছে মুখ নিয়ে নিঃশ্বাসের শব্দ শুনে! মেয়ে যেদিন আধো আধো গলায় বাবা বলে ডেকেছিল, সেদিন আমার স্বামী খুশিতে বাচ্চাদের মতো কান্না করে দিয়েছিল!

 

একদিন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে আমাকে আমার স্বামী বললো,

- “আমার মেয়েকে আমি বিয়ে দিবো না! সারাজীবন আমার কাছে রাখবো। মেয়েকে ছাড়া আমি থাকতেই পারবো না”!


আমি তখন স্বামীর চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম

- “আমার বাবাও হয়তো ঠিক এভাবে আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছিল আমাকে বিয়ে দিবে না। আমাকে ছাড়া থাকতে পারবে না। কিন্তু মেয়ে মানুষ বলে কথা। বিয়ে তো দিতেই হবে। মেয়েকে বিয়ে দিলো। মেয়ের বাসায় এসে প্রতিবার অপমানিত হয়ে যেতো, তবুও আবার আসতো!”


কথাগুলো শুনে আমার স্বামী যখন নিরব হয়ে রইলো তাখন আমি চোখের জল ফেলতে ফেলতে বললাম,

 - তোমারা আমার বাবাকে যতোটা বেশরম ভেবেছিলে, বিশ্বাস করো আমার বাবা এমন বেশরম না! উনি সবই বুঝতো, তবুও না বুঝার অভিনয় করতো। একমাত্র মেয়ে ছিলাম তো, তাই মেয়েকে দেখার জন্য বাবার হৃদয়টা কাঁদতো। তাই কয়েকদিন পর পর এসে পড়তো।

 

রাতে কান্নাকাটি করে কখন ঘুমিয়েছি জানি না। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার স্বামী ল্যাগেজ গুছিয়ে তৈরি হয়ে বসে আছে! 

অবাক হয়ে বললাম,

- কোথাও যাবে নাকি?

স্বামী মেয়ের দিকে তাকিয়ে কান্না ভেজা চোখেও মুখে হাসি নিয়ে বললো,

- “মেয়ের বাবা যেহেতু হয়েছি, সেহেতু শ্বুশুরের কাছে গিয়ে নির্লজ্জ হবার ট্রেনিং নিতে হবে! কারণ একদিন আমাকেও হয়তো অনেক অপমান সহ্য করতে হবে, যেমনটা আমি আমার শ্বশুরকে করেছি। মেয়ের বাবাদের তো আবার লজ্জা থাকতে নেই!” 


আমি আমার স্বামীকে কিছু বলতে পারছিলাম না। শুধু দেখছিলাম আর ভাবছিলাম, মেয়ের বাবা হবার পর নিজের করা ভুলের জন্য কতোটা অনুতপ্ত হলে একটা ত্রিশোর্ধ মানুষ বাচ্চার মতো কান্নাকাটি করে! 

আজকের পর থেকে স্বামীর প্রতি আমার কোন অভিযোগ নেই…


সংগৃহীত

Monday, September 30, 2024

সূরা আল ফাতেহা




 সুরা ফাতিহা


 পবিত্র আল কোরআনের প্রথম সূরা সূরা আল ফাতেহা  

সূরা আল ফাতেহা পবিত্র আল কোরআনের প্রথম সূরা। আয়াত সাতটি। মক্কায় অবতীর্ণ। ‘ফাতিহা’ শব্দের অর্থ শুরু, আরম্ভ, উদ্বোধন, উদঘাটন প্রভৃতি। কুরআনুল কারিমের ১১৪টি সূরার মধ্যে প্রথম সূরাটি হলো সূরাতুল ফাতিহা। আর এ জন্য সূরা ফাতিহাকে ‘ফাতিহাতুল কুরআন’ বা কুরআনের শুরু বলে অভিহিত করা হয়।

এ সূরার আরেকটি নাম “আলহামদু শরীফ”। সূরায়ে ফাতেহার আরেকটি নাম হচ্ছে “উম্মুল কোরআন” বা কোরআনের জননী (মা)। পুরো কোরআন শরীফের সারবস্তু সূরায়ে ফাতিহায় নিহীত বা পুরো কোরআন শরীফ হলো সূরায়ে ফাতিহার ব্যাখ্যা। তাই এ সূরাকে কোরআনের মা বলা হয়েছে। 

এ সূরার আরেকটি নাম হলো “সাবউ মছানী”। অর্থাৎ এ সূরাটিতে রয়েছে অনুপম সাতটি বাণী বা আয়াত। মাছানি বলা হয় এ কারণে যে, সূরাটি একবার মক্কায় ও একবার মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে। অধিকতর বিশুদ্ধমতে, মক্কা শরীফেই এ সূরাটি অবতীর্ণ হয়।

আল্লামা ইবনে জরীর (রাঃ) হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন, হযরত রাসূলে কারীম ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, সূরা ফাতিহা অর্থাৎ আলহামদু শরীফ হচ্ছে, উম্মুল কোরান, ফাতিহাতুল কিতাব, সাবউমাছানি। 
এ সূরার আরেকটি নাম হচ্ছে “সূরায়ে কাঞ্জ” (ভান্ডার)। হযরত আলী (রাঃ) হতে ইসহাক ইবনে রাওয়াহা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, এ সূরাটি আরশের নিম্নস্থিত ভান্ডার থেকে অবতীর্ণ হয়েছে।

সূরা আল ফাতেহা বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ-


بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহির রহমা-নির রহি-ম।

অনুবাদ : শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

উচ্চারণ : আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আ -লামি-ন।

অনুবাদ : যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।

الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

উচ্চারণ : আররহমা-নির রাহি-ম।

অনুবাদ : যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু।

مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ

উচ্চারণ : মা-লিকি ইয়াওমিদ্দি-ন।

অনুবাদ : বিচার দিনের একমাত্র অধিপতি।

إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ

উচ্চারণ : ইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাসতাই’-ন

অনুবাদ : আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।

اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ

উচ্চারণ : ইহদিনাস সিরাতা’ল মুসতাকি’-ম

অনুবাদ : আমাদের সরল পথ দেখাও।

صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ

উচ্চারণ : সিরাতা’ল্লা যি-না আনআ’মতা আ’লাইহিম গা’ইরিল মাগ’দু’বি আ’লাইহিম ওয়ালা দ্দ-ল্লি-ন।

অনুবাদ : সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ। তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।





Monday, September 16, 2024

এক‌ই মঞ্চে দুই প্রিয় আলেমেদ্বীন


 



দক্ষিণ কোরিয়ার সংউরি মসজিদ কর্তৃক আয়োজিত বাৎসরিক ইসলামিক কনফারেন্স এ এই মূহুর্তে বয়ান পেশ করছেন শায়খ ডঃ মিজানুর রহমান আজহারী (হাফি:) 

click the link 

দক্ষিণ কোরিয়ায় মিজানুর রহমান আজহারী

Sunday, September 15, 2024

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে গণবিবাহের আয়োজন


 


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে গণবিবাহের আয়োজন, বিস্তারিত জানতে লিংক ক্লিক করুন .....


গণবিবাহ

Saturday, September 14, 2024

ছেলেরাও কাঁদে, কিন্তু কেন কখন!


 পুরুষ কেন গোপনে কাঁদে? 

একজন প্রজ্ঞাময় বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, পুরুষ কি কাঁদে? 

তিনি জবাব দিয়েছিলেন, হ্যা, পুরুষ কাঁদে, অবশ্যই কাঁদে।  

যে প্রশ্ন করেছিল সে অবাক হয়ে বললো, পুরুষও কাঁদে? কখন? কিভাবে? কি এমন কারণ থাকতে পারে, যাতে করে পুরুষ কেঁদে উঠবে? 


বৃদ্ধ বললেন,  


পুরুষ কাঁদে, যখন তার মায়ের মত আপন মানুষগুলো এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যায়, 

পুরুষ কাঁদে, যখন সে তার বাবা মা দুজনকেই হারায়, 

পুরুষ কাঁদে, যখন তার সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়ে, 

পুরুষ কাঁদে, যখন সে তার মেয়ের বিয়ে দেয়, 

পুরুষ কাঁদে, যখন তার অকৃতজ্ঞ একগুঁয়ে সন্তান তাকে সবার সামনে অপমান করে, 

পুরুষ কাঁদে, যখন সে বুঝতে পারে সে আসলে কি ভীষণ অসহায়, জীবন যুদ্ধ তাকে কিভাবে গোলাম বানিয়ে রেখে দিয়েছে, 

পুরুষ কাঁদে, যখন সে তার ভালবাসার মানুষগুলোর ভরণ পোষণ করতে ব্যর্থ হয়, তাদের সামান্যতম সখগুলোও সে যখন আর মিটাতে পারে না, 

পুরুষ কাঁদে, যখন সে তার নিজের মা, মাটি আর দেশ থেকে অনেক দূরে, ভালবাসার মানুষগুলোকে একটু ছুঁতেও পারে না, একটু আদরও করতে পারে না, 


হ্যা, পুরুষ কাঁদে, কিন্তু... সে তখনই কাঁদে, 

যখন সে আঁধারের অতলে... 

যখন ঝুম বৃষ্টি নামে... 

যখন তার পাশে বালিশটা ছাড়া আর কেউই নেই...


পুরুষের সেই অশ্রু তার চোখের গর্ত থেকে বেরিয়ে আসে না, যা অন্য কেউ দেখে ফেলবে, 

পুরুষের অশ্রু বেরিয়ে আসে তার হৃদয়ের গহীন থেকে, কখনো সেটা একটা দীর্ঘশ্বাস, কখনো বিস্ময়ে হতবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা, 

পুরুষের অশ্রুতে তার চামড়ায় ভাঁজ পড়ে, চুল দাড়ি পেকে যায়, তার হাত দু'টো কেঁপে কেঁপে ওঠে। 


এতটুকু বলে সেই বৃদ্ধ আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না, নিজেই কেঁদে উঠলেন তিনি, বললেন, 

হ্যা রে মা, ঠিক এভাবেই পুরুষ মানুষ কেঁদে ওঠে, কাঁদতে থাকে।


Thursday, September 12, 2024

"বাল্যবিবাহ নয়, শিক্ষাই মেয়েদের অধিকার!"


 

বাল্যবিবাহ আইনত এবং নৈতিকভাবে একটি অপরাধ। এটি এমন একটি প্রথা যেখানে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়েদের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করা হয়, যা তাদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকর। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ হলেও দরিদ্রতা, অশিক্ষা, সামাজিক চাপ এবং কুসংস্কারের কারণে এই প্রথা অনেক স্থানে এখনো বিদ্যমান।

বাল্যবিবাহের কারণে মেয়েরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়, স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে এবং মাতৃত্বের ঝুঁকিতে পড়ে। এছাড়া, তারা গৃহস্থালীর কাজ এবং পারিবারিক দায়িত্বের চাপে পড়ে দ্রুত বয়স্ক হয়ে যায়। বাল্যবিবাহের অপরাধমূলক দিকগুলো হলো:

  1. আইনের লঙ্ঘন: অনেক দেশে ১৮ বছরের নিচে মেয়েদের এবং ২১ বছরের নিচে ছেলেদের বিবাহ বেআইনি। বাল্যবিবাহ একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে বিবেচিত।

  2. স্বাস্থ্যগত সমস্যা: অল্প বয়সে গর্ভধারণের ফলে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ে।

  3. শিক্ষার অধিকার খর্ব করা: বিবাহের পর মেয়েরা সাধারণত স্কুল থেকে ঝরে পড়ে, ফলে তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন এবং আর্থিক স্বাধীনতা ব্যাহত হয়।

  4. সামাজিক বৈষম্য: বাল্যবিবাহ সামাজিকভাবে নারীদের অধিকারকে খর্ব করে এবং তাদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের সুযোগ বাড়ায়।

বাল্যবিবাহ রোধে সরকারি আইন, শিক্ষার প্রসার এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি। সমাজের সকল স্তরের মানুষকে এ প্রথার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

Click This Link :Ballobaho

Monday, September 9, 2024

যে কারণে রিজিক বৃদ্ধি হয় না


 রিজিকের আভিধানিক  অর্থ জীবিকা খাদ্য।  তবে রিজিকের ব্যাপক অর্থ । ভাত, রুটি , ফল মূল যেমন রিজিক, শারীরিক সুস্থতাও তেমনি অনেক বড় রিজিক। ভালো কাজে মহান আল্লাহ তায়ালা যেমন বান্দার রিজিক বৃদ্ধি করে দেন, তেমনি কিছু মন্দ কাজ করলে রিজিক সংকীর্ণ করে দেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু কারন হলো -

পাপ কাজে লিপ্ত হ‌ওয়াঃ ভালো কাজে মহান আল্লাহ তায়ালা যেমন খুশি, তেমনি বদ‌ ও মন্দ কাজে আল্লাহ তায়ালা নাখোশ হন। এবং রিজিকের সংকীর্ণতা করে দেন। 

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন -'সৎকর্ম ছাড়া অন্য কিছু আয়ুষ্কাল বাড়াতে পারে না এবং দোয়া ছাড়া অন্য কিছুতে তাকদির পরিবর্তন হয়না ‌। মানুষ পাপ কাজের কারণে তার প্রাপ্য রিজিক থেকে বঞ্চিত হয়। ইবনে মাজাহ ঃ৪০২২

প্রাপ্ত নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা ঃ সব মানুষ আল্লাহ তায়ালার অফুরন্ত নিয়ামতের সাগরে ডুবে আছি, সেসব নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা আবশ্যক। শুকরিয়া আদায় করলে আল্লাহ তায়ালা রিজিক বৃদ্ধি করে দেন। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন - যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করো, তবে অবশ্যই আমি তোমাদের রিজিক বৃদ্ধি করে দেব;আর যদি অকৃতজ্ঞ হ‌ও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি কঠোর। সূরা ইবরাহিম:৭

হারাম উপার্জন  ‍করাঃ

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন ঃএ পৃথিবীর ধন দৌলত সুমিষ্ট। যে ব্যক্তি তার সৎভাবে গ্রহণ করবে এবং সৎভাবে ব্যায় করবে, তা তার জন্য খুবই উপকারী হবে।আর যে অন্যায় ভাবে গ্রহন করবে, সে ঐ ব্যক্তির মতো যে খেতে থাকে; কিন্তু পরিতৃপ্ত হয় না। বুখারী শরীফ -৬৪২৭

মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুক। আমীন 

Saturday, September 7, 2024

নিকাহ্ রেজিস্ট্রার সঞ্চয় সমিতি দিনাজপুর এর ১বছর পূর্তি উপলক্ষে বাৎসরিক আলোচনা সভা, নয়নপুর, সদর দিনাজপুর ।



 

আলহামদুলিল্লাহ, ছোট ছোট বালুকনা বিন্দু বিন্দু জল,, গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর ও অতল এই প্রতি পাদ্যটি সামনে রেখে আজকের এই দিনে আমাদের নিকাহ রেজিস্ট্রার সঞ্চয় সমিতি দিনাজপুর এর যাত্রা শুরু, সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সততার সহিত আমাদের প্রতিষ্ঠান টি পরিচালিত হয়ে আসছে, মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের কাংখিত মনোবাসনা পূরন করে এই কামনা করছি।   আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কুরআনুল কারীম পাঠ করেন জনাব মাওলানা কাজী মো: মিজানুর রহমান, এরপর সভাপতির অনুমতিক্রমে সভার পরিচালনার কাজ শুরু করেন কোষাধক্ষ্য জনাব হামিদুল ইসলাম, শুরুতে মহান আল্লাহতায়ালার শুকরিয়া আদায় করেন, এবং ঐতিহাসিক  বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। আলোচনায় গত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরেন, এবং পরবর্তীতে সমিতিকে কিভাবে আরো বেগবান করা যায় সে বিষয়ে বিবিধ আলোচনা করেন, আমাদের এই উদ্যোগটি জানতে পেরে জনাব কাজী আ,ব,ম আশেকুর রহমান সাহেব সদস্য হতে আগ্রহী হলে সবার অনুমোদন ক্রমে সমিতির নিয়ম অনুযায়ী তিনি নিকাহ্ রেজিষ্ট্রার সঞ্চয় সমিতির সদস্য পদ লাভ করেন। বিবিধ আলোচনা শেষে সবার সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে সভার সমাপ্তি ঘোষনা করেন।উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সমিতির   সভাপতি জনাব কাজী মো:ফয়জার রহমান,সদর, সহ-সভাপতি, জনাব কাজী মো: মিজানুর রহমান,সদর ,সাধারণ সম্পাদক জনাব কাজী মো: মনোয়ার হোসেন,সদর, জনাব কাজী মো:আনিছুর রহমান, সদর, জনাব কাজী মো: হামিদুল ইসলাম,সদর, জনাব কাজী মো: আবুল বাশার, সদর, জনাব কাজী মো: খাইরুল ইসলাম,বীরগঞ্জ, জনাব কাজী মো: আব্দুর রহমান,বীরগঞ্জ, জনাব কাজী মো: আব্দুল হামিদ,বোচাগঞ্জ, জনাব কাজী মুহা: শোহরাব হোসাইন, বোচাগঞ্জ, জনাব কাজী মো:ওয়াজেদ আলী,পার্বতীপুর, জনাব কাজী মো: সাইফুল আলম, পার্বতীপুর।  আজকের বাৎসরিক মিটিং এর ছবি





গাজা যুদ্ধ গড়াল ১২তম মাসে, যুদ্ধবিরতি নিয়ে নেই আশার খবর


 ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলা ১২তম মাসে গড়াল। কিন্তু এখনো এই যুদ্ধ থামার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না। আজ শনিবার পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অবরুদ্ধ উপত্যকাটির প্রায় ৪১ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। উদ্বাস্তু হয়েছেন গাজার প্রায় সব বাসিন্দা। পুরো উপত্যকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

এখনো প্রতিদিনই গাজায় হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। এদিকে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি চলাকালে গাজায় স্কুলে আশ্রয়শিবিরের ইসরায়েলি হামলায় ১৩ জন নিহত হয়েছেন। কোথাও কোথাও দুই পক্ষের মধ্যে লড়াইয়ের খবরও পাওয়া যাচ্ছে।

তবে মধ্যস্থতাকারীদের বিরামহীন চেষ্টার পরও নতুন করে যুদ্ধবিরতির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। কারণ, যুদ্ধবিরতি নিয়ে দুই পক্ষই নিজেদের শর্তে অনড়। ফলে প্রায় এক বছর ধরে চলা এই হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ কবে থামবে, তা অনিশ্চিত।গত বছরের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে নজিরবিহীন এক হামলা চালায় গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাস। সেদিন থেকে গাজায় পাল্টা নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ইসরায়েলি হামলায় গতকাল নতুন করে আরও ৬১ জন নিহতের তথ্য পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মোট নিহত বেড়ে হয়েছে ৪০ হাজার ৯৩৯। আহত নয়তো পঙ্গু হয়েছেন প্রায় ৯৫ হাজার ফিলিস্তিনি।

যুদ্ধ ১২তম মাসে গড়ানো নিয়ে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার প্রধান ফিলিপ্পি লাজ্জারনি লিখেছেন, ‘১১ মাস। যথেষ্ট হয়েছে। এটা আর কেউ নিতে পারছে না। মানবতাকে অবশ্যই সমুন্নত রাখতে হবে। এখনই এই যুদ্ধ বন্ধ করুন।’

যুদ্ধবিরতির আশা ক্ষীণ

গাজায় চলমান হত্যাযজ্ঞ বন্ধে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা আহ্বান জানালেও আপাতত যুদ্ধবিরতির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর পক্ষ থেকে অবশ্য দুই পক্ষকেই যুদ্ধবিরতির বিষয়ে রাজি করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু নিজেদের শর্তে দুই পক্ষই অনড় অবস্থানে বলে জানা গেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন গত বৃহস্পতিবার জানান, যুদ্ধবিরতির ‘৯০ শতাংশ শর্ত নিয়ে দুই পক্ষই ঐকমত্যে পৌঁছেছে’। যুদ্ধবিরতির চুক্তি চূড়ান্ত করতে ইসরায়েল ও হামাসকে এদিন আহ্বান জানান তিনি।

তবে যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে ঐকমত্য নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উল্টো কথা বলেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে তিনি শুক্রবার বলেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে ঐকমত্য হয়নি।

হামাসের শর্ত, ইসরায়েলি সব সেনাকে গাজা থেকে প্রত্যাহার করে নিলেই কেবল তারা যুদ্ধবিরতির বিষয়ে রাজি হবে। তবে এতে আপত্তি ইসরায়েলের। নেতানিয়াহু সরকার চায়, যুদ্ধবিরতি হলেও ইসরায়েলি সেনারা গাজার বিভিন্ন এলাকায় মোতায়েন থাকবেন।